সোম. সেপ্টে ২৭, ২০২১

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

সৌরজগতে বাসযোগ্য অনেক গ্রহের সন্ধান

১ মিনিট পাঠের সময়

সৌরজগতে পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য আরও অনেক গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জোতির্বিজ্ঞানীরা। এলিয়েনের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। অনেক মতামতের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে শক্তিশালী? এক্ষেত্রে পৃথিবীর মতো দেখতে গ্রহগুলোই এগিয়ে আছে।

পৃথিবী বাসযোগ্য, কারণ এখানে পানি আছে, বায়ুমন্ডল আছে, কোটি কোটি মানুষ আছে। মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, আমাদের পৃথিবীর চেয়েও বড় এবং আরো বাসযোগ্য পৃথিবী আছে মহাকাশে, যেটাকে সুপার আর্থ বলা হয়।

২০০৯ সাল থেকে কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ ৪ হাজারের মতো এক্সো প্ল্যানেট আবিষ্কার করেছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশই সুপার আর্থ। এসব গ্রহের তাপমাত্রা পানির জন্য উপযোগী। তবে সুপার আর্থে পৃথিবীর মতো স্থলভাগ নাও থাকতে পারে। বড় গ্রহগুলো তৈরি হতে পারে হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে। যেমনটা বৃহস্পতি আর শনির ক্ষেত্রে হয়েছে। সেই গ্রহগুলো বসবাসের উপযোগী না।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এখনো সন্তুষ্ট নন, তাই গবেষণা চলছেই। চলুন জেনে নেই, বিজ্ঞানীদের কল্পনা আর গবেষণার সুপার আর্থ কেমন হবে? পানি তো থাকছেই, সেইসাথে পৃথিবীর আয়তনের চেয়ে সুপার আর্থের ব্যাসার্ধ হবে দ্বিগুণ। আয়তন হবে ১০ গুণ। তবে অনেক বড় হওয়ায় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনেক বেশি, যা গ্রহগুলোকে বসবাসের উপযোগী করে তোলে।

ধরা যাক, একটি সুপার আর্থ কেপলার টুয়েন্টি বি। এর আকার পৃথিবীর দ্বিগুণ। এটি পৃথিবীর চেয়ে ১০ গুণ বড় হওয়ায় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর চেয়ে ৩ গুণ বেশি।

এ সুপার আর্থের বায়ুমণ্ডল বিষাক্ত ও ভারী গ্যাস ভেতরে প্রবেশ করতে দেয় না। মানে এর বায়ুমণ্ডলও বসবাসের উপযোগী। মহাকাশের তেজস্ক্রিয়তা প্রবেশ করতে পারবে না সুপার আর্থে। জীববৈচিত্র্যের জন্য যা উপযোগী পরিবেশ। কিন্তু তবু এ গ্রহে বাস করা এতো সহজ নয়, কারণ এ গ্রহের গতিবেগ পৃথিবীর চেয়ে অনেক বেশি। পাশাপাশি পৃথিবীর চেয়ে এটি কয়েকগুণ বড়। মানে এ সুপার আর্থে যেতে হলে রকেটের অনেক বেশি জ্বালানির প্রয়োজন হবে।

স্পেস এক্সের ফ্যালকন ৫০ হাজার কেজি ওজনের রকেট মহাকাশে ছাড়তে পারে। যেখানে কেপলার টুয়েন্টি বি`র মতো সুপার আর্থ পাঠাতে পারবে ৪০ কেজির রকেট। যা একটি জার্মান শেফার্ডের ওজনের সমান। তাই সুপার আর্থে বসবাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সেখানে বিজ্ঞানীদের অবতরণ পর্যন্ত।