রবি. অক্টো ২৪, ২০২১

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

শ্রেষ্ঠ জেমস বন্ডের চিরবিদায়

১ মিনিট পাঠের সময়

অস্কারবিজয়ী জেমস বন্ড খ্যাত অভিনেতা শন কানারি আর নেই। ৯০ বছর বয়সে স্কটিশ এ অভিনেতা পৃথিবীকে বিদায় জানালেন। তবে তার শেষ বিদায়টা ‘জেমস বন্ডচিত’ নয়। ঘুমের মধ্যে একেবারে নিঃশব্দে বিদায় নিলেন জেমস বন্ড।

শন কানারির ছেলে বলেন, ‘শান্তভাবে ঘুমের মধ্যেই মারা গেছেন শন কানারি। তবে বাহামা দ্বীপে থাকার সময় মাঝে মধ্যে অসুস্থ হয়েছিলেন।’

আটলান্টিক মহাসাগরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশে এ দ্বীপেই মারা গেছেন তিনি। ব্রিটিশ সাংবাদিক এবং ঔপন্যাসিক ইয়ান ফ্লেমিংয়ের গড়া চরিত্র জেমস বন্ডের ভূমিকায় সবচেয়ে প্রথম দেখা গিয়েছিল শন কনারিকে। ‘ডক্টর নো’, ‘ইউ অনলি লিভ টোয়াইস’, ‘ডায়মন্ডস আর ফরেভার’, ‘নেভার সে নেভার এগেইন’ একের পর এক ফিল্মে বন্ডকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন শন।

মোট সাতটি জেমস বন্ড স্পাই থ্রিলারে অভিনয় করেছেন তিনি। থ্রিলার অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত এ অভিনেতা অস্কার, দুটি বাফটার, তিনটি গোল্ডেন গ্লোবস জিতেছেন। শন কানারি নিজেকে ‘বন্ড, জেমস বন্ড’ হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করতেন। ২০১৪ সালে স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়ে শন কানারি রাজনীতির মাঠেও উত্তাপ ছড়ান।

১৯৬২ সালে ডক্টর নো সিনেমার মধ্য দিয়ে বন্ড-এর পৃথিবীতে পা রাখেন শন কনারি। ফ্রম রাশিয়া উইথ লাভ, গোল্ডফিঙ্গার, থান্ডারবল, ইউ অনলি লিভ টোয়াইস, ডায়মন্ডস আর ফরএভার, নেভার সে নেভার অ্যাগেইন ছবিগুলোতে পরে অভিনয় করেন।

জেমস বন্ড সিরিজের হিট ছবি গোল্ডফিঙ্গার’র থিম সংয়ে একটি লাইন উল্লেখ করে রেডিও টাইমস’র প্রধান সম্পাদক বলেন, ‘শন কনারি আবারও এটাই প্রমাণ করলেন, তিনিই হলেন কিংবদন্তি কিং জেমস বন্ড, যার স্পর্শে সবকিছু সোনায় পরিণত হয়েছে।’

গত শতকের ছয়ের দশকে রুপালি পর্দার বন্ডের চরিত্র এক সময় তার কেরিয়ারে তুমুল সাফল্য এনে দিয়েছিল। ১৯৬২ থেকে ’৮৩ পর্যন্ত একের পর এক সাতটি বন্ড-ফিল্মে দেখা গিয়েছিল শন কনারিকে। সে সময়কার ফ্যানেদের বিচারে সেরা ‘০০৭’ তিনিই।

জেমস বন্ড মূলত বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ইয়ান ফ্লেমিং কর্তৃক সৃষ্ট উপন্যাসের কাল্পনিক চরিত্র বিশেষ। ১৯৫৩ সালে রচিত এ উপন্যাসে জেমস বন্ড রয়েল নেভি কমাণ্ডার হিসেবে রয়েছেন। জেমস বন্ড নিয়ে সিরিজ আকারে নির্মিত অসংখ্য উপন্যাস, চলচ্চিত্র, কমিকস্ এবং ভিডিও গেমের প্রধান চরিত্রে রয়েছেন জেমস বন্ড।