রবি. মার্চ ৭, ২০২১

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হারানোর শীর্ষে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার

১ মিনিট পাঠের সময়

গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হারানোর শীর্ষস্থানটি দখল করে পুঁজিবাজারে নতুন তালিকাভুক্ত এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন। বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে আগ্রহী না হওয়ায় সপ্তাহজুড়েই দাম কমেছে।

সপ্তাহজুড়ে এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের শেয়ার দাম কমেছে ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে প্রতিটি ইউনিটের দাম কমেছে ১৭ টাকা ৩০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির শেয়ার দাম দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ছিল ৭১ টাকা ৭০ পয়সা।

এদিকে, দাম কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ১০৯ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার টাকা। এতে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নেয়া এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের শেয়ার গত ১৯ জানুয়ারি থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শুরুর আগে কোম্পানিটি ২০২০ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমে অর্ধেকে নেমে গেছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিএসই জানায়, ২০২০ জালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এতে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৪৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা হয় ১৩ কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। এতে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ৮৮ পয়সা।

লেনদেন শুরুর আগে মুনাফায় এমন ধস নামার তথ্য প্রকাশ পেলেও লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়ে। এতে প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল। পরবর্তীতে ‘তাসের ঘরে’র মতো ভেঙে পড়ে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা।

ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করতে কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিয়ে কোম্পানিটি বিডিংয়ের আয়োজন করলে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ারের কাট অফ প্রাইস ৩৫ টাকা নির্ধারণ করেন। এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানটি আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ টাকা মূল্যে (প্রান্ত সীমা থেকে ১০ শতাংশ বাট্টায়) শেয়ার ইস্যু করে।

এনার্জিপ্যাকের পরই গত সপ্তাহে দাম কমার তালিকায় রয়েছে রবি। সপ্তাহজুড়ে এই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দাম কমেছে ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ১৩ দশমিক ৬২ শতাংশ দাম কমার মাধ্যমে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শাইনপুকুর সিরামিক।

এছাড়া গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ হারানোর শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা সামিট পাওয়ারের ১২ দশমিক ৪৫ শতাংশ, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেনের ১২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ, শ্যামপুর সুগার মিলের ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সামিট এলায়েন্স পোর্টের ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাম কমেছে।