সোম. অক্টো ২৬, ২০২০

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

সিএসই’র ক্যাপাসিটির ৯৫ শতাংশ অব্যহৃত থেকে যাচ্ছে

১ মিনিট পাঠের সময়

মামুন‐উর‐রশিদ একজন চৌকস ব্যাংকার ছিলেন। ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে দেশের অন্যতম বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি একই ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন (এএমডি) ছিলেন।

১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার পদে যোগ দিয়ে ব্যাংকিং কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ও প্রধান কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এখন দায়িত্ব পালন করছেন দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ সিএসই’র। চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি সিএসইর দায়িত্ব নিয়েছেন। পুঁজিবাজার ও সিএসই’র আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছেন মামুন‐উর‐রশিদ আলোচনার অংশটুকু তুলে ধরা হলো।

মামুন‐উর‐রশিদ বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সিএসইর লেনদেন বাড়াতে কাজ করছি। একই সাথে বাজারে নতুন পণ্য নিয়ে আসা, দেশের ভালো কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত করা। অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছে যাচ্ছি বা জুমে কথা বলছি।

সিএসইতে লেনদেন যে ভাবে বাড়াবেন :  বর্তমানে সিএসইসর মোট ক্যাপাসিটির মাত্র ৫ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। আর ৯৫ শতাংশ অব্যহৃত থেকে যাচ্ছে। এর উন্নয়নে ট্রোকহোল্ডার ও ট্রেডারদের সাথে যোগাযোগ করছি। আমাদের কোন কোন সিঙ্গেল ট্রেক প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা লেনদেন করে। শেয়ার যদি না পাওয়া যায়; তাহলে তারা কিভাবে লেনদেন করে। যদি আপনি কোন কোম্পানির ১০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে আবার অন্য কোম্পানির  ২০ লাখ শেয়ার ক্রয়ের জন্য এগিয়ে আসেন তাহলেই ডেপ্থ তৈরি হবে। আপনি এটি না করে কিভাবে বলবনে ডেপ্থ নাই।

সিএসইর নিস্ক্রিয় ব্রোকারদের নিয়ে  কাজ করছি : আমাদের এখানে ১০ থেকে ১২টি ব্রোকার নিস্ক্রিয় আছে। তাদেরকে সক্রিয় করার জন্য আমরা কাজ করছি।

নতুন পণ্য নিয়ে কী চিন্তা : পুঁজিবাজারে নতুন পণ্য আনতে পরিচালনা পর্ষদের দিক নির্দেশনা নিয়ে কাজ করছি। আমাদের স্মল ক্যাপ লেনদেন করার জন্য আমরা প্রস্তুত। কয়েকটি কোম্পানির বিএসইসিতে আছে। অনুমোদন পেলে আমরা লেনদেন শুরু করতে পারবো। কয়েকটি বিষয়ে কমিশনের অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে। আমরা বিএসইসির সাথে আলোচনা করছি, চট্টগ্রামের খাতুন গঞ্জে আমদানি নির্ভর কমিউনিটি এক্সচেঞ্জ চালু করতে চাই বিএসইসি, ইতোমধ্যে, এটিবি, বন্ড মার্কেট নীতিমালা তৈরি করেছে। আমাদের ট্রেডিং ইঞ্জিন প্লাটফর্ম রেডি। কমিশন নির্দেশনা দিলে আমরা শুরু করতে পারবো।

কমিশন মার্কেট ম্যাকার নিয়ে কাজ করছে : এটি পুঁজিবাজারে স্বার্থে প্রয়োজন। আমার জানা মতে কমিশন মার্কেট ম্যাকার নিয়ে কাজ করছে।

চট্টগ্রামের বড় গ্রুপগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে কাজ চলেছে : বর্তমান কমিশন পুঁজিবাজারকে পুঁজিবাজারের আদলে তৈরী করতে চান। বিশ্বব্যাপী দীর্ঘ মেয়াদী অর্থায়নের জন্য পুঁজিবাজার হলো ভালো জায়গা। এখান থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা করে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিবে।

বড় গ্রুপগুলোকে পুঁজিবাজারে আনতে অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সাথে বসবো। তাদেরকে বুঝানোর চেষ্ঠা করবো বাজারে আসলে কী লাভ। বুঝিয়ে বাজারে আনার চেষ্টা করবো।

বিনিয়োগকারীদের জন্য কথা হলো আপনারা বাজারে আসেন। আপনাদের জন্য স্বচ্ছ ও জবাদিহীমূলক একটি বাজার তৈরি করার চেষ্টা করছে বর্তমান কমিশন। তবে আপনার টাকার নিরাপত্তা আপনাকে দিতে হবে। বড় ভাইয়ের কথা শুনে শেয়ার কেনা বেচা করবেন না। বিনিয়োগ করার সময় দেখে শুনে বিনিয়োগ করুন। কারো কথায় বিনিয়োগ করলে ঠকার সম্ভাবনা রয়েছে।