শুক্র. অক্টো ২৩, ২০২০

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচ গড়ালো সুপার ওভারে, পাঞ্জাবকে হারাল দিল্লি

১ মিনিট পাঠের সময়

একেই বলে টি-টোয়েন্টি খেলা। শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচ। টান টান উত্তেজনা। ছোট গল্পের মত ‘শেষই হইয়াও যেন হয় না শেষ।’ ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও তার রেশ থেকে যায় অনেক সময়। দুবাইর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচটিতে তেমন ঘটনারই জন্ম দিলো কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এবং দিল্লি ক্যাপিটালস।

চূড়ান্ত নাটকীয়তা মঞ্চস্থ হলো মাঠে। পেন্ডুলামের মত দুলতে দুলতে ম্যাচটা থেমে গেলো একেবারে মাঝ বরাবর। কেউ জিতলো না। দিল্লির স্কোর ১৫৭, পাঞ্জাবের স্কোরও ১৫৭। সুতরাং, ম্যাচ গড়ালো সুপার ওভারের চূড়ান্ত রোমাঞ্চে। সেখানে পাঞ্জাবকে হারিয়ে শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচটি জিতে নিলো দিল্লি ক্যাপিটালস।

তবে সুপার ওভারে এসে চূড়ান্ত ফ্লপ প্রীতি জিনতার দল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। প্রথমে ব্যাট করতে এসে মাত্র ২ রান তোলে পাঞ্জাব। ব্যাট করতে আসেন লোকেশ রাহুল ও নিকোলাস পুরান। মায়াঙ্ককে পাঠাননি পাঞ্জাব থিঙ্কট্যাঙ্ক; দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে বল করতে আসেন কাগিসো রাবাদা।

রাবাদার প্রথম বলে রাহুল ২ রান নিলেও পরের ডেলিভারিতে ডিপ স্কোয়ারে ক্যাচ তুলে আউট হন তিনি। পরের ডেলিভারিতে নিকোলাস পুরানের স্ট্যাম্প ছিটকে দেন রাবাদা। ফলে সেখানেই শেষ পাঞ্জাবের ইনিংস। জবাব দিতে নেমে মোহাম্মদ শামির প্রথম বলে কোনো রান নেননি রিশাভ পান্ত। পরের বলে দিলেন ওয়াইড। পরের বলে ২ রান নিয়ে নিলেন পান্ত। স্রেয়াশ আয়ার শুধু তাকে সঙ্গ দিলেন। সুপার ওভারে খুব সহজেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো দিল্লি।

তার আগে পেন্ডুলামের মতো ম্যাচ ঘুরছিল এদিক থেকে ওদিকে। কখনও দিল্লি এগিয়ে তো কখনও পাঞ্জাব। শেষ পর্যন্ত স্কোরও হয়ে গেলো সমান। ফলে চলতি আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচই সাক্ষী থাকল সুপার ওভারের। একদিকে, স্টোইনিজের ঝড়ো ব্যাটিং। অন্যদিকে, মায়াঙ্ক-শামির দুরন্ত পারফরম্যান্স। খাতায় কলমে উত্তর ভারতের ডার্বি হল আর পাঁচটি ডার্বি ম্যাচের মতোই। যদি শেষপর্যন্ত সুপার ওভারে বাজিমাত করল দিল্লি ক্যাপিটালস।

আরব আমিরাতের স্লো পিচে শুরুতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্রীতি জিনতার দলের অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দেন পাঞ্জাব বোলাররা। শুরুতেই পরপর তিন উইকেট পড়ে যায় দিল্লির। ধাওয়ান শূন্য রানে রানআউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। পৃথ্বি শ (‌৫) এবং শিমরন হেটমায়ার (‌৭) শিকার হন মোহাম্মদ শামির।