রবি. সেপ্টে ২০, ২০২০

Fortune News 24

ফরচুন নিউজ ২৪

জাপার প্রার্থী সোহেল রানা ও মীর আসুদ

১ মিনিট পাঠের সময়

আসন্ন ৫টি উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টি পৃথকভাবে প্রার্থী দেবে বলে দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসাথে ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শরীফা কাদের ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সোহেল রানার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যে দলটি পাবনা-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে রেজাউল করিমের নাম ঘোষণা করেছে। ঘোষণা না দিলেও অন্য আসনগুলোর প্রার্থীর নামও দলের শীর্ষপর্যায়ে ঠিক করে রাখা আছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শরীফা কাদের ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সোহেল

রানার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। তবে শরীফা কাদের আগ্রহী না হওয়ায় সোহেল রানার জন্য নির্বাচনের দুয়ার রয়েছে উন্মুক্ত। অন্যদিকে ঢাকা-৫ আসনে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির হয়ে প্রার্থিতার জন্য আবেদন করেছেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ। সেখানে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় তাকেই প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করে রেখেছে জাতীয় পার্টি। ২৫ আগস্ট থেকে পাবনা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-১৮ এবং নওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করে জাতীয় পার্টি। তবে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের ডেপুটি প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী বলেন, ফরম বিতরণের সময় দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে কেউ চাইলে ফরম নিতে পারবেন। তফসিল ঘোষণার পর সাক্ষাৎকারের তারিখ ঠিক হবে। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-৫ ও নওগাঁ ৬-এর তফসিল হয়েছে। হয়তো আজ-কালের মধ্যে সাক্ষাৎকারের তারিখ চূড়ান্ত হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মীর আবদুস সবুর আসুদ বলেন, আমার জানামতে এখনো দলীয় ঘোষণা আসেনি। আমি ফরম সংগ্রহ করেছি। সে অনুযায়ী আমি একজন মনোনয়নপ্রত্যাশী-এতটুকু বলাই যায়। বাকিটা দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তিনি বলেন, ঢাকা-৫ আসনের মানুষের সঙ্গে আমার একটা আত্মিক সম্পর্ক আছে। আমার পূর্বপুরুষেরা ব্যক্তিগতভাবে এই এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমিও করেছি, করছি। যদি মনোনয়ন পাই এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হই তা হলে এই এলাকার মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাব। এ বিষয়ে জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য চিত্রনায়ক সোহেলা রানা বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি এই ব্যাপারে জানি না। আমি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পার্টি করি সে কারণেও বলে থাকতে পারেন। জাতীয় পার্টির একটা সিস্টেম আছে, মনোনয়ন বোর্ড আছে। এসবের সাথে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ যদি মনে করেন আমাকে মনোনয়ন দিলে ভালো হবে তা হলে আমি স্বাগত জানাব। আর যদি মনে না করেন তা হলে নেই; ব্যস এতটুকুই।