ফরচুন নিউজ ২৪

খালেদা জিয়ার কিছুটা উন্নতি হলেও কাটছে না শঙ্কা

1 min read

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সর্বশেষ হাসপাতালে ভর্তি হন গত ১৩ নভেম্বর। এরপর থেকে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তবে এক মাস ২৭ দিনের মাথায় গত ৯ জানুয়ারি সিসিইউ থেকে খালেদা জিয়াকে কেবিনে নেওয়া হয়। সবমিলিয়ে টানা দুই মাস তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসসির কারণে থেমে থেমে ক্ষুদ্রান্তে রক্তক্ষরণ, রক্তবমি, হিমোগ্লোবিন ওঠা-নামাসহ নানা তীব্র জটিলতায় ভুগছেন। তার ক্ষুদ্রান্তের নিচে রক্তক্ষরণের উৎস বন্ধ করতে ‘ব্যান্ড লাইগেশন’ করা হয়েছে। টানা কয়েকদিন অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ায় যে কোনো সময় নতুন উৎস দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে বলে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) সিসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে। এটা ছাড়া আমার কাছে তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।’

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সিসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিক চিন্তিত। যে কোনো সময় তার অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। তাকে দ্রুত বিদেশ পাঠালে উন্নত চিকিৎসা সম্ভব।’

জানা গেছে, গত ১৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তির দুদিন আগে অর্থাৎ ১১ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলেন তার ভাই শামীম ইস্কান্দার। তার ওই আবেদন আইনি মতামতের জন্য পাঠানোর হয় আইন মন্ত্রণালয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *